শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশিত: শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
স্টাফ রিপোর্টারঃ খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, মহানগরীর পরিবেশ সুরক্ষায় বিদ্যমান পুকুরগুলির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সে কারণে নগরীর ব্যবহার অনুপযোগী পুকুরগুলিকে পুনরুজ্জীবিত এবং প্রাকৃতিক এ জলাধারগুলিকে বাঁচিয়ে রাখতে জনগণকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। নগরীতে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রিয় এই শহরটাকে যতটুকু সম্ভব সুন্দর পরিবেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন সম্মিলিতভাবে এই সৌন্দর্য ধরে রাখতে হবে। তিনি পূর্বের অভ্যাস পরিবর্তন করে পরিচ্ছন্ন শহর গড়ার কাজে খুলনা সিটি কর্পোরেশনকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য নগরবাসীর প্রতি আহবান জানান।
কেসিসি প্রশাসক শনিবার সকালে নগরীর তালিমুল মিল্লাত রহমাতিয়া কামিল মাদ্রাসার পুকুরে আয়োজিত সাঁতার প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। নগরবাসীকে শারীরিক পরিশ্রমে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে কেসিসি’র তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ‘স্বাস্থ্যকর শহর’ প্রকল্পের আওতায় প্রথমবারের মতো এ সাঁতার প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। সাঁতার একটি সহজ ও আনন্দদায়ক শারীরিক ব্যায়াম, যা সব বয়সের মানুষ নিয়মিত চর্চা করতে পারেন। পাড়া মহল্লার পুকুরকে কাজে লাগিয়ে এলাকাবাসীকে নিয়মিত শারীরিক চর্চায় আগ্রহী করে তোলাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রশাসক আরো বলেন, সুস্থ নাগরিক ছাড়া স্বাস্থ্যকর শহর গড়া সম্ভব নয়। খুলনার প্রতিটি ওয়ার্ডের পুকুর, খেলার মাঠ ও ফুটপাত যেন নগরবাসীর শারীরিক চর্চার উপযোগী থাকে সে লক্ষ্য নিয়ে কাজ এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। তিনি এ ধরনের আয়োজন অন্যান্য ওয়ার্ডেও ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং পুকুর পরিচ্ছন্ন রাখতে এলাকাবাসীকে নিয়মিত পুকুর ব্যবহার ও রণাবেণে সম্পৃক্ত থাকার অনুরোধ জানান।
প্রতিযোগিতায় ২টি গ্রুপে সর্বমোট ২০ জন সাঁতারু অংশ নেন। পরে প্রশাসক বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, সচিব মো: রেজা রশীদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো: অনিসুর রহমান, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, ১৮ নং ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্থপতি রেজবিনা খানম, কুয়েট-এর ইউঅরপি বিভাগের প্রফেসর তুষার কান্তি রায়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিভাগীয় কোঅর্ডিনেটর ডা. আরিফ, মাদরাসার অধ্যক্ষ এ এস এম নাজমুস ছউদ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হেলদি সিটি প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার আসিফ আহমেদ, হেলদি সিটি ফোরামের আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান মুকুল ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুম বিল্লাহসহ ফোরামের সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।